Tuesday , December 11 2018

জোর করে জিন্সের প্যান্ট খুলে অভিনেত্রীকে ধর্ষণ!

জোর করে জিন্সের প্যান্ট খুলে অভিনেত্রীকে ধর্ষণ! সারা ভারতে চলছে #MeToo ঝড়৷ আর সেই ঝড়ে একটার পর একটা উইকেট পড়ছে৷ যত বড়ই সেলেব হোন না কেন, তাদের কীর্তি ফাঁস হচ্ছে একের পর এক৷ তবে কতটা সত্যতা রয়েছে সেই সবের মধ্যে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে একাংশ৷ আর এই নয়া ঝড়ে এবার মুখোশ খুলে গেল আরও এক সেলেবের৷ বলিউডের স্বনামধন্য পরিচালক সুভাষ ঘাই৷ নাম তো শুনাহি হোগা! হ্যাঁ, #MeToo-র তালিকায় এবার তাঁর নামও উঠে গেল৷







কিন্তু কি করেছিলেন তিনি?
জনৈক এক মহিলা সুভাষ ঘাইকে নিয়ে ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন যা ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র৷ তাঁর দাবি, বেশ কয়েক বছর আগে যখন এই পরিচালকের সঙ্গে তিনি কাজ করছিলেন একটি ছবিতে, তখন সুভাষ ঘাই তাঁকে মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে৷







প্রথমে পরিচালক ওই মহিলাকে মিউজিক রেকর্ডিংয়ে নিয়ে যায়, যেখানে অনেক রাত পর্যন্ত তাকে বসিয়ে রাখা হয় অন্যান্য পুরুষদের মাঝে৷ রেকর্ডিং শেষ হলে তিনি হঠাৎই তাঁর হাত ওই মহিলার থাইয়ে বোলাতে শুরু করেন, এবং বলেন, মহিলা ভালো কাজ করেছেন৷ এরপর স্ক্রিপ্ট সেশনের জন্য লোখন্ডওয়ালাতে তার একটি অ্যাপার্টমেন্টেও ডাকেন৷ এই অ্যাপার্টমেন্টে তাঁর স্ত্রী-র সঙ্গে থাকতেন না, এটি ছিল পরিচালকের “thinking pad”.







স্ক্রিপ্ট সেশনের দিন সুভাষ ঘাই মহিলাকে নাকি বলতে শুরু করেন, এই ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁকে সবাই কত ভুল বোঝে, একমাত্র এই মহিলাই তাঁেক ভালোবাসে৷ এরপর কান্নার ভান করেন এবং মহিলার কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়েন৷ এরপর উঠে বসে মহিলাকে জোর করে কিস করার চেষ্টা করেন৷ হতভম্ব হয়ে তখনই সুভাষের অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন ওই মহিলা৷







তবে এরপরেও আর্থিক কারণে মহিলা ছবির কাজ থেকে পিছিয়ে আসতে পারেননি৷ তিনি আরও জানান, এক সন্ধেতে মিউজিক সেশনের পরে, সুভাষ ঘাই ড্রিঙ্ক করবেন বলে মনোস্থির করেন৷ এবং মহিলাকেও অফার করেন৷ আর এরমধ্যেই কিছু মেশানো ছিল বলে তাঁর দাবি৷ এরপর মহিলাকে বাড়ি পৌঁছে দেবেন বলে সুভাষ তার গাড়িতে উঠতে বলেন৷ মহিলাও সেই মতো গাড়িতে উঠে বসেন৷ কিন্তু সুভাষ তাকে একটি হোটেলে নিয়ে যায়৷







কিছুটা আচ্ছন্ন অবস্থায় থাকা মহিলাকে সুভাষ একটি সুটে নিয়ে যায়৷ এরপর হোটেলের রুমে গিয়ে জোর করে মহিলার জিনস্ খুলে দিয়ে তার ওপর জোর জবরদস্তি করতে থাকে৷ মহিলা চিৎকার করার চেষ্টা করলে তার মুখ হাত দিয়ে চেপে রাখে পরিচালক৷ পরের দিন তাকে বাড়িতে নামিয়ে দিয়ে যায় সুভাষ ঘাই৷







এরপর কিছুদিন মহিলা কাজ না গেলে, সুভাষ তাকে জানায়, কাজ ছেড়ে দিলে তাকে তার প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেওয়া হবে না৷ মহিলা জানান, এরপর ওই পরিচালকের সঙ্গে ককনও দেখা করার বা কথা বলার চেষ্টা করেননি তিনি৷-কলকাতা২৪