১০ বছরে যা করল এক বছরে তা করল

কদিন আগে বাবা হয়েছেন। সেইসঙ্গে ভাগ্যটাও যেন বদলাতে শুরু করেছে ইমরুল কায়েসের। ওপেনিংয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গী তিনি অনেকদিন, কিন্তু কখনই জায়গা পাকা করা হয়নি। এবারও জায়গাটা পেয়েছেন আসলে তামিম দলে না থাকাতেই।
সুযোগটা কাজে লাগালেন ইমরুল। শুধু কি কাজে লাগালেন? আসলে তার ব্যাটিংটা এখন কত পরিণত, সেটাই যেন আরও একবার সবাইকে দেখালেন বাঁহাতি এই ওপেনার। পুরো সিরিজে বাংলাদেশ তামিমের অভাব বুঝলো না এই ইমরুলের কারণেই।







প্রথম ওয়ানডেতে ১৪৪ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেছিলেন। দ্বিতীয়টিতে মাত্র ১০ রানের জন্য তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারেননি। আউট হয়ে যান ৯০ রানে। তবে এবার আর সেই ভুল করেননি। তুলে নিয়েছেন আরেকটি সেঞ্চুরি, একই সিরিজে দ্বিতীয়বারের মতো। শেষ পর্যন্ত ১১৫ রানে সাজঘরে ফিরেছেন ইমরুল।

২০০৮ সালে ওয়ানডে অভিষেকের পর জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগ পর্যন্ত প্রায় দশ বছরে ৭৩টি ওয়ানডে খেলেছেন ইমরুল। সেঞ্চুরি ছিল মোটে ২টি। এবার এক সিরিজেই দুই সেঞ্চুরি করে তাক লাগিয়ে দিলেন সেই ইমরুল।







বোঝাই যাচ্ছে, ৩২ ছুুঁই ছুুঁই বয়সে এসে ব্যাটে বসন্ত ধরা দিয়েছে ইমরুলের। এই ফর্মটা ধরে রাখতে পারলে বিশ্বকাপে অটোমেটিক চয়েজ হিসেবেই খেলতে যেতে পারবেন ক্যারিয়ারজুড়েই আড়ালের নায়ক হয়ে থাকা ইমরুল। নায়ক না হয় হবেন, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরেই!