Wednesday , June 26 2019

সংলাপে দুটি দাবিই মেনে নেয়া সম্ভব

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কিছুক্ষণের মধ্যেই বসবেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ২১ সদস্যের প্রতিনিধিদল ও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেবেন।

তবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ ফলপ্রসূ করতে গেলে দুপক্ষের সদিচ্ছা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে মনে করেন রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী।













গণভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতাসহ ২১ সদস্যের প্রতিনিধি অংশ নেবেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদের মধ্যে দলটির শরিক ১৪ দলীয় জোটের তিন নেতাও থাকবেন।

এর আগে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে দেয়া সাত দফা দাবির কোনোটিই মানা হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতারা। ফলে রাজনীতি নতুন করে আরেকটি শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছিল।

আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী রাজি হওয়া এবং ঐক্যফ্রন্টকে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানানোর পর সেই শঙ্কা অনেকটা দূর হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কেন আলোচনায় রাজি হলেন?

অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, সরকারের ছাড় দেয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হলো- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন করা। যেখানে সংসদ থাকতে পারবে না।

তিনি বলেন, সংবিধানে এটাও আছে যে, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ৯০ দিনের মধ্যে যদি নির্বাচন হয় তাহলে সংসদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তার পরের ৯০ দিনের মধ্যে আবার নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুযোগ রয়েছে। এতে দুটি দাবিই মেনে নেয়া হবে। সংসদও থাকল না আবার একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও এসে গেল। এত অল্প সময়ের মধ্যে সরকারি বা বিরোধী দল কোনটা ছাড় দেবে সেটার সিদ্ধান্ত নেয়ার মধ্যেই তফসিল ঘোষণা হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে নির্বাচন যদি জানুয়ারি বা মার্চ এপ্রিলের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে অনেক সময় পাওয়া যাবে, এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত কথাবার্তা বলারও সুযোগ থাকবে।