Monday , May 20 2019

পাসপোর্ট হাতে না থাকায় ফিরতে পারছেন না জোবায়দা

ইচ্ছে ছিল পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্ত থেকে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেবেন তিনি। কিন্তু বিধিবাম। রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের জন্য হাতে পাসপোর্ট না থাকায় আপাতত দেশে ফিরতে পারছেন না তারেক রহমানের সহধর্মিনী জোবায়দা রহমান।

তবে দেশে ফিরতে না পারলেও যুক্তরাজ্য থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলের নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করতে নানামুখী প্রচারণায় থাকবেন জোবায়দা। যুক্তরাজ্যের একাধিক সূত্র জানায়, যুক্তরাজ্য বসেই জোবায়দা রাজনীতিকে সক্রিয়।

সারাক্ষণই তিনি স্বামী তারেক রহমানকে সাংগঠনিক কাজে সহযোগিতা করছেন। তারেক রহমানের অনেক অ্যাসাইনমেন্ট সরাসরি বাস্তবায়ন করেন জোবায়দা। চিকিৎসক জোবায়দা রহমানকে সহযোগিতা করছেন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বেশ কয়েকজন পেশাজীবী। এদের মধ্যে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা গিয়াসউদ্দিন রিমন, সাংবাদিক সালেহ শিবলী এবং আইনজীবী ব্যারিস্টার নাসিরউদ্দিন অসীম অন্যতম।













সূত্রগুলো জানায়, ডাটাবেইজ প্রদ্ধতিতে বিএনপির পুরো চিত্র তারা সংরক্ষণ করছেন। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন অনিয়ম এবং দুর্নীতির তথ্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করে তা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার এবং প্রকাশের উপযুক্ত করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন জোবায়দা রহমানের নেতৃত্বাধীন দলটি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান এবং খালেদা জিয়ার ইচ্ছে ছিল তাদের অনুপস্থিতিতে জোবায়দা রহমানকে দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে প্রচার-প্রচারণা করাবেন। ৮টি বিভাগে বিভাগীয় সমাবেশে জোবায়দা রহমানকে উপস্থিত রেখে আবেগ ঘন বক্তব্য দেওয়ানোর পরিকল্পনা ছিল।

বিষয়টি নিয়ে তারেক রহমান কথাও বলেন ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড, কামাল হোসেনের সাথে। ড. কামাল হোসেন প্রথমে বিষয়টির সাথে একমত পোষণ করলেও পরবর্তীতে তিনি তাতে সায় দেননি। ড. কামাল হোসেন চাননি জিয়া পরিবারের কেউ সরাসরি রাজনীতির মাঠে সম্পৃক্ত হোক।

লন্ডন দূতাবাসের একটি সূত্র জানায়, আপাতত তারেক ও জোবায়দার হাতে বাংলাদেশি পাসপোর্ট নেই। তারা কেউ ইচ্ছে করলেই বাংলাদেশে যেতে পারবেন না। তবে আরাফাত রহমান কেকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিথি তার শাশুড়ির নির্বাচনী এলাকা বগুড়া এবং ফেনীতে প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন।

বাংলা ইনসাইডার