Wednesday , June 26 2019

মিলনের সময় কি কি ‘নোংরা’ কথায় মেয়েরা শিহরিত হয়ে ওঠে?

শারীরিক মিলন একটি স্বতঃপ্রণোদিত বিষয়। এর সাথে নারী পুরুষ উভয়েরই অনেক অনুভুতি জড়িয়ে রয়েছে। পুরুষ শাসিত সমাজ এক সময় ভাবতো যে মিলনের বিষয়টিতে পুরুষের আধিপত্যই শেষ কথা। সেখানে নারীর কোনও বক্তব্য থাকতে পারে না। তার কাজ নির্বাক গ্রহীতার মাত্র। কিন্তু আনন্দের এই অনুভূতি যদি দ্বিপাক্ষিক না হয় তবে তাতে ঘাটতি থেকে যায় অনেক টাই।

তাই একজন পুরুষ সঙ্গীর অবশ্যই উচিৎ তার সঙ্গিনীর ইচ্ছা বা অনিচ্ছাকে প্রাধান্য দেওয়া। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা আর হয়ে ওঠেনা। নারীদের চাহিদা রয়ে যায় অপুর্ন।

মানব মন সব সময়ই ভালোবাসা ও প্রশংসা আশা করে থাকে, রতিকালও তার ব্যতিক্রম নয়। মহিলারা আশা করে তার সঙ্গী সর্বতোভাবে তার থেকে পরিতৃপ্ত হবে। মানসিক এবং শারীরিক দুই দিক থেকেই। সুস্থ স্বাভাবিক নারী পুরুষ সম্পর্কের নিয়ম তাই।







সেকারণে রতিকালে প্রাণের মানুষটি যদি বেশ কিছু উদ্দীপক কথা বলে তাহলে সঙ্গম আরও বেশি আনন্দের হয়ে ওঠে। মেয়েরা চায় তাদের গোপন অঙ্গগুলি সম্পর্কে সঙ্গীরা উদ্দীপক মন্তব্য করুক। তাতে বিছানায় তারা খুব বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন একদিকে, অন্যদিকে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে যা মিলন কালকে আর ও দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে। এইভাবে সম্পর্ক হয়ে ওঠে সুদৃঢ় ও মজবুত।

এগুলি সমীক্ষালব্ধ তথ্য। অনেক মেয়েরা এই বিষয়ে কথা বলতে স্বচ্ছন্দ না হলেও বুঝে নেবার দায়িত্ত্ব থাকে পুরুষদেরই। মেয়েরা সর্বদাই লাজুক প্রকৃতির, আর এইসব বিষয়ে মেয়েরা মুখে বলতে লজ্জাই পায়। অনেক ক্ষেত্রে পুরুষেরা তা বোঝে আবার অনেক সময় বোঝেনা।

মেয়েরা বিছানায় বলশালী পুরুষ পছন্দ করে। পুরুষদের গোপন অঙ্গের প্রতিও থাকে মেয়েদের কিছু কামনা। রতিকালে খুব বেশি আলো বা অন্ধকার দুটোর একটাও শ্রেয় নয়। মেয়েরা চায় মিলনের সময় ঘরের ভিতর জ্বলুক শুধুমাত্র একটি নাইট বালব। এক্ষেত্রে আবার পছন্দের হেরফের হতে পারে।

মেয়েদের শরীরের প্রতি তো পরুষদের অমোঘ আকর্ষণ সৃষ্টির আদি থেকে। খাজুরাহোর স্থাপত্য শিল্প হোক বা কামসূত্রের শ্লোকে, সঙ্গমের আকর্ষণের কথা পুরাণের ভারতে অজানা নয়। রাজা মহারাজের দরবারে বিভিন্ন ধরনের সঙ্গম সম্পর্কিত খেলার আয়োজন করা হত।