Tuesday , January 22 2019

উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি

জাতীয় সংসদের নির্বাচন পরবর্তী সকল প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি। এর মধ্যেই ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ মার্চ মাসে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

আগামী মার্চ মাস থেকে অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি জোট। দলীয় সরকারের অধীনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপি’র অভিযোগে ওই নির্বাচন বর্জন করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোট।

বিএনপি ও জোটের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র এক জাতীয় দৈনিককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিএনপি ও জোটের কয়েকজন নেতা জানান, একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে সংলাপে সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলে বারবার ঘোষণা দিলেও নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। ফলে এ সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মনোভাব নেই তাদের। অংশ নিয়ে নির্বাচনকে বৈধতা দিতে যাবেন কি-না- এ নিয়ে দল ও জোটের ভেতর চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে।

তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন গতকাল বলেন, এ বিষয়ে তারা এখনও আলোচনা করেননি। জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। সময় হলে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা।

নাম প্রকাশ না করে বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা জানান, দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে বিএনপি জোটের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে ব্যাপক চাপ ছিল। সরকারের পক্ষ থেকেও সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আশ্বাস দেওয়ায় তারা নির্বাচনে গিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে বিএনপির আশঙ্কাই সত্য হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচনের ফলাফলেই এটা প্রমাণিত হয়েছে। ফলাফল দেখে দেশবাসী ও বিদেশিরা বিস্মিত।