Monday , May 20 2019

তাজা ব্রেকিংঃ মাশরাফিকে অভদ্র ভাষায় যে গালি দিলেনঃ ডাঃ মৌমিতা…

Dr – Moumita Jalil Julie 12 hrs 2 Kuttar baccha mashrafi . . . mp houal pasay tel jomse , ম্যাশ তােমাকে নামিয়ে দিলাম , তুমি আমাদের ভালােবাসা পাওয়ার যােগ্যতা হারিয়ে ফেলেছাে ,এখন থেকে তুমি । একজন worthless MP ছাড়া আমার কাছে আর কিছুই না . . . ডাকার জনগনের চাকর যদি হয় ত সব উকিল যােক্তার আমলা শিক্ষক পুলিশ দারােগা ব্যাংকার সবাই জনগনের চাকর ।

এভাবে লাইভ ভিডিও শেয়ার করে মাস্তানের মতাে একজন কন্সাল্ট্যান্ট কে থ্রেট দেয়া কোন সংবিধানে আছে ! তুমি তার বিরুদ্ধে অবশ্যই প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারতে , কিন্তু নিজের অশিক্ষিত হবার প্রমাণ তুমি । দিয়েই ছাড়লে . . . . শেষ পর্যন্ত রাজনীতির ফাউল প্লে তে নিজের নাম লিখে । দেখিয়ে দিলে তােমার অবস্থান ! To # মাশরাফি মুর্দাবাদ ।

উনি আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিলের মেয়ে!উনি মাশরাফিকে কুত্তার বাচ্চা বলে গালি দিয়েছেন! কারণ মাশরাফি নড়াইল সদর হাসপতালে ডাক্তার নার্সদের নজিরবিহীন দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছেন! গোমর ফাঁস করে দিয়েছেন! মাশরাফি বক্তের মতামত:-,ওনার মত ডাক্তারের কাছে কি রোগী নিরাপদ! একজন এমপি,জাতীয় দলের অধিনায়ককে এভাবে গালিগালাজ করার জন্য ওনার বিরুদ্ধে কেউ একটা মামলা করেন,প্লিজ। আমি খরচ দিবো।

মনে রাখবেন,আপনি যে দলই করেন না কেন, বাংলাদেশের সরকারী হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে আপনার অবশ্যই আপত্তি আছে! বি. দ্র: ব্যাপক সমালোচনার মুখে এখন Dr – Moumita Jalil Julie নিজের ফেসবুক একাউন্টটি লক করে রাখছেন ।
সূত্রঃ city news

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজার তৎপরতায় দায়িত্বে অবহেলা ও অফিসের সময়ে অনুপস্থিত থাকার কারনে নড়াইল সদর হাসপাতালের ৪ চিকিৎসককে শাস্তিস্বরূপ ওএসডি (অন স্পেশাল ডিউটি) করা হয়েছে।

আর এ ব্যাপারে ক্ষিপ্ত হয়েছেন দুইজন। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডা. অশিত মজুমদার ও আমিনুল ইসলাম জুয়েল মাশরাফি সম্পর্কে অশোভন মন্তব্য করেছেন। এদিকে বিষয়টি সামাজি যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় ভাইরাল হয়েছে। কটূক্তিকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মাশরাফির ভক্তরা।

এদিকে ফেসবুকে ডা. অশিত মজুমদার লিখেছেন, ‘মাশরাফিটা কে? আবার আমিনুল ইসলাম জুয়েল লিখেছেন, ‘নড়াইলের কোনো পাতি নেতাটেতা হবে আর কি!’ অশিত পুনরায় লিখেছেন, ‘সে রকমই তো ক্ষেতের মত এটিচিউড করল।’ আমিনুল ইসলাম জুয়েল পুনরায় লিখেছেন, ‘কিছু বুঝে নাকি? সেভেন এইট পাশ মনে হয়।’ এদিকে বিষয়টি স্ক্রিনশটসহ ফেসবুকে আপ করা হলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে ম্যাশরাফি ভক্তরা। এমন কটূক্তিকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মঞ্জুর মোর্শেদ নামে একজন লিখেছেন, ‘নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সফল ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। আপনারা তো শিক্ষিত মানুষ। একজ সর্ম্পকে না জেনে বাজে মন্তব্য করলেন। আপনারা কোন দেশের ডাক্তার যে মাশরাফি কে চনেন না। মেধা থাকলে অবশ্যই চিনতেন ডাক্তার হতে হয়তো আপনাদের মা-বাবাদেরকে টাকা দিয়ে আগের রাতে উত্তরপত্র কিনতে হয়েছিলো।’

এদিকে ফরহাদ আহম্মেদ লিখেছেন, ‘সারা দিনরাত ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কমিশন, চেম্বারে বসা আবার কষ্ট করে হাসপাতালে গিয়ে হাজিরা খাতায় সই দেয়া, ফ্রি ওষুধ বিক্রি, ওষুধ কোম্পানির কথামত (দরে পটলে) পেসক্রিপশনে তাদের ওষুধের নাম লেখা, ইত্যাদি। নেশা, পরকীয়া থাকগে। এতো কিছু করে মাশরাফিকে চেনার সময় কই।’

তাছাড়া মোস্তফা কামরুজ্জামান কামাল লিখেছেন, ‘এদের পুরো ঠিকানা দিয়ে সহযোগিতা করলে পুরস্কৃত করবো…।’ সৈয়দ সামিউল আলম জেহাদ লিখেছেন, ‘মাশরাফি সমন্ধে কটূক্তিকারিরা সাবধান। মাশরাফির অপর নাম বাংলাদেশ। মাশরাফি আমাদের গর্ব। কটূক্তিকারিদের বিচার চাই।’ মো. রানা লিখেছেন, ‘এই দুই জানোয়ারকে টার্মিনালে এই আম গাছে ঝুলায়ে পিটাতে হবে। জানোয়ার আইডি পেয়ে নিই।’

এর আগে গত ২৫ এপ্রিল বিকেলে আকস্মিকভাবে সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে যান নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা। এসময় কর্তব্যরত ৩ চিকিৎসকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না দেখে তিনি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস শাকুর এবং পরে অনুপস্থিত সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আকরাম হোসেনের সাথে মুঠোফোনে কথা বলেন। বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীদের সাথে কথা বলে তাদের কাছ থেকে নানা ধরনের সমস্যার কথাও শোনেন।

এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখতে পান। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের কর্মকর্তাদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা করেন। হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে এ সভায় জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন পিপিএম, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস শাকুর, সিভিল সার্জন ডা. আসাদ-উজ-জামান মুন্সি, হাসপাতালের আর.এম.ও ডা. মশিউর রহমান বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।