Tuesday , May 21 2019

এইমাত্র পাওয়াঃ রাত ১২টার মধ্যে ফেসবুক বন্ধ নিয়ে যে বোমা ফাটালেনঃ রওশন এরশাদ…

সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা বেগম রওশন এরশাদ বলেছেন, ফেসবুক যদি রাত ১২টার মধ্যে বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলে অনেক সংসার বেঁচে যাবে। পাশাপাশি অনেক ছেলে-মেয়ের জীবন বাঁচবে। কারণ তারা সারারাত জেগে থাকে। ঘুমায় না। এতে পড়াশোনারও অনেক ক্ষতি হয়। ঢাকায় আমরা যে পানি খাচ্ছি তা ময়লাযুক্ত ও দুর্গন্ধময়। সুপেয় পানি পাওয়া অনেক দুরূহ ও কঠিন ব্যাপার। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সবাই যেনো সুপেয় পানি পায় সে বিষয়ে আপনি পদক্ষেপ নেবেন।

মঙ্গলবার সংসদের সমাপনী বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, সারাবিশ্বে সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেই চলেছে। এটা বন্ধ হচ্ছে না। সেই সঙ্গে নারী নির্যাতনের ঘটনাও ঘটছে। নুসরাতের ঘটনা দেখেছি। শিক্ষর্থীরা আজ শিক্ষকের দ্বারা লাঞ্চিত হচ্ছে। ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে সমাজের চরম অবক্ষয়। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে এ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এ ধরনের ঘটনার বিচার করা সম্ভব হলে নির্যাতনের ঘটনা কমবে বলে মনে করি।

এসময় চাকরিতে বয়সসীমা অন্তত ৩২ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শেয়ারবাজারে তো শুরু থেকে ধস নেমে এসেছে। এখন আগের যুগের মতো মাটির ব্যাংকে টাকা রাখতে হবে বলে মনে করছি। ব্যাংক ও শেয়ারবাজার যেনো ভালোভাবে চলে সেদিকে নজর দিতে হবে। শেয়ারবাজারে ছোট ছোট বিনিয়োগকারিরা ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আসছে নতুন আইন, মা বাবার সকল দায়িত্ব নিতে হবে সন্তানকে !

বৃদ্ধ বয়সে সন্তানদের অবহেলার অভিযোগ করে থাকেন অনেক মা-বাবা। বিশেষ করে বিয়ের পর ছেলেদের ‘পাল্টে’ যাওয়া। এজন্য দায়ী করা হয় ছেলের বউদের। ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ’ বিধিমালার খসড়ায় স্পষ্ট করে মা-বাবার উপযুক্ত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে স্ত্রী ও তাদের সন্তানদের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে পাস হওয়া পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনের আওতায় বিধিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে। খসড়া বিধিমালার ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার যথোপযুক্ত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। পিতা-মাতার ভরণপোষণের ন্যূনতম মানদন্ড নির্ধারণ করে খসড়া বিধিমালার ১১ ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তান মা-বাবাকে সঙ্গে রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

একাধিক সন্তান থাকলে মা-বাবা কোন সন্তানের সঙ্গে বসবাস করবেন, তা তাদের ইচ্ছানুযায়ী হবে। সন্তান বা তার স্ত্রী-সন্তান মা-বাবার সেবা ঠিকমতো করছে কি না তা যাচাই করতে সারা দেশের ওয়ার্ড পর্যায়ে সহায়ক কমিটি থাকবে। এ ছাড়া ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা, সিটি করপোরেশন ও জাতীয় পর্যায়েও কমিটি থাকবে।

মা-বাবার জন্য সন্তানরা শুধু টাকা দিলেই হবে না, বছরে কমপক্ষে দু’বার সাক্ষাৎ করতে হবে। অনেক সন্তান বা তার স্ত্রী মা-বাবার আচার-আচরণের সমালোচনা করেন। এজন্য মা-বাবার আচরণবিধি নির্ধারণ করা হয়েছে খসড়া বিধিমালায়। বলা হয়েছে, মা-বাবা তাদের প্রয়োজন বা অনুভূতির কথা সন্তানদের একত্রে বা আলাদাভাবে জানাবেন।

যেকোনো সংকটের কথা সন্তানদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। মা-বাবা পরিবারের সবার প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করবেন। মা-বাবার কোনো প্রয়োজন সন্তান তাৎক্ষণিকভাবে মেটাতে না পারলে বা দেরি হলে যথাসম্ভব ধৈর্য ধারণ করবেন।

তাদের নিজস্ব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ সুরক্ষার চেষ্টা করবেন। মা-বাবার সঙ্গে সন্তানের আচরণ কেমন হবে তা উল্লেখ করে খসড়া বিধিমালার ১৩ ধারায় বলা হয়েছে, মা-বাবার সঙ্গে সর্বাবস্থায় মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করতে হবে, যত্নসহকারে তাদের দেখভাল করতে হবে।

মা-বাবার জন্য খাদ্য প্রসঙ্গে খসড়া বিধিমালার ১৪ ধারায় বলা হয়েছে, ‘পিতা-মাতার জন্য দৈনিক ন্যূনতম তিনবার বা পিতা-মাতার প্রয়োজন অনুসারে খাদ্য সরবরাহ করিবে : তবে শর্ত থাকে যে, পিতা-মাতার বয়স, অসুস্থতা বা প্রতিবন্ধিতা বিবেচনায় আনিয়া, প্রয়োজনে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুসারে নির্ধারিত পুষ্টিমান নিশ্চিত করিতে হইবে।

ঋতু বিবেচনায় নিয়ে মা-বাবার পছন্দ ও শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনায় তাদের জন্য আরামদায়ক পোশাক নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, বছরে যেকোনো একটি উৎসবে অতিরিক্ত এক সেট নতুন পোশাক সরবরাহ করতে হবে।