Sunday , August 25 2019

মাত্র ২০ সেকেন্ডে ক্ষত জোড়া লাগাবে ‘যাদুর আঠা’

নানা ভাবেই দুর্ঘ’টনার কারণে শরীরে ক্ষত হতে পারে, আর ক্ষত হওয়া মানেই প্রচুর র’ক্তক্ষরণ। ক্ষতের মাত্রা যদি বেশি হয়ে থাকে তবে চিকিৎসা নিতে সময় ব্যয় হয়। ফলে র’ক্তক্ষরণও বেশি হয়। যা এক সময় মৃ’ত্যুর কারণও হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানেই তৈরি করা হয়েছে ‘যাদুর আঠা’।

মাত্র ২০ সেকেন্ডে ক্ষত জোড়া দিতে সক্ষম এমন একটি ‘যাদুর আঠা’ অদূর ভবিষ্যতে মানব দেহের মা’রাত্মক ক্ষত সারিয়ে তুলতে সক্ষম হবে। এতে অ’তিরিক্ত র’ক্তপাতের কারণে অকালে প্রাণ হা’রানোর আশংকা কমবে। যু’দ্ধ ক্ষেত্র বা দুর্ঘ’টনার কারণে আ’হত লোকজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে।

প্রাণী দেহের ওপর এ আঠার পরীক্ষা করা হয়েছে এবং তাতে উৎসাহব্যঞ্জক ফলাফল পাওয়া গেছে। ক্ষত স্থানে লাগানোর পর আঠাকে সক্রিয় করার জন্য অ’তিবেগুনী বা ইউভি রশ্মি ব্যবহার করতে হবে। তাতে ক্ষত স্থানে পানিরোধক এ আঠা আ’ট’কে যাবে। আর সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ করে দেবে র’ক্তক্ষরণ।

চীনের জেইজিয়ান চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এটি তৈরি করেছেন। পানি, জে’লেটিন এবং কিছু রাসায়নিক উপাদান মিশ্রণ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এ আঠা। ভেজা কোষকলার ওপরও এটি কার্যকর হবে। তাই ক্ষতস্থানকে সেলাই করা বা স্টেপল করে আ’ট’কে দেয়ার প্রয়োজনই পড়বে না। পরীক্ষামূলক ভাবে এ ‘যাদুর আঠা’ দিয়ে ৬ মিলিমিটার ক্ষত ২০ সেকেন্ডে জোড়া দেয়া সম্ভব হয়েছে। এর আগে চিকিৎসা কাজে ব্যবহারের জন্য আঠা তৈরি করা হয়েছে। তবে সেগুলো বড় র’ক্তনালী বা হৃদপিণ্ডের ভেতরে যে গতিতে র’ক্ত প্রবাহিত হয় তা ঠেকানোর মতো মোটেও জো’রদার নয়।

প্রাণী দেহে সফল ভাবে এ আঠা প্রয়োগ করা গেলেও মানব দেহে প্রয়োগ নিয়ে কিছু পরীক্ষা বাকি রয়ে গেছে। অবশ্য, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে এটি মানুষের শরীরে প্রয়োগ করা সম্ভব হবে বলেও বিজ্ঞানীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।