হাতের মধ্যে ভয়ংকর ভাবে ব্রাস্ট হলো মোবাইল – দেখুন সরাসরি ভিডিও !

হাতের মধ্যে ভয়ংকর ভাবে ব্রাস্ট হলো মোবাইল – দেখুন সরাসরি ভিডিও !

আরও পড়ুনঃ–

দেরাদুনে নিদাহাসের ফাইনাল ফিরিয়ে আনলো বাংলাদেশ !

আরও পড়ুনঃ–

দেরাদুনে নিদাহাসের ফাইনাল ফিরিয়ে আনলো বাংলাদেশ !

তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশকে এক রানে হারিয়ে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছে আফগানিস্তান। এদিনে অবশ্য দারুণ বোলিং করেছেন টাইগার বোলাররা।

তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান করেছে আফগানিস্তান। আর অল্পের জন্য এই লক্ষ্য অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয় টাইগাররা

জবাবে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু করে দুই বাংলাদেশী ওপেনার তামিম ইকবাল এবং লিটন দাস। তবে তৃতীয় ওভারের সময় আফগান বোলারকে উইকেট বিলিয়ে আসেন তামিম ইকবাল (৫)।

এরপরে উইকেটে আসেন সৌম্য সরকার। একটি চার ও একটি ছয়ে ১৩ বলে ১৫ রান করে লিটন দাসের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হন তিনি। আর তিন বল পরেই একই ভাবে রান আউট হন লিটন দাস (১২)।

এরপরে দেখে শুনেই খেলছিলেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এবং মুশফিকুর রহিম। তবে করিম জানাতের বলে আউট হয়ে যান সাকিবও (১০)। রশিদ খান বল হাতে নেওয়ার আগেই চার উইকেট নেই বাংলাদেশের।

দশ ওভারে টাইগারদের রান চার উইকেটে ৬০। এরপরে দেখেশুনে খেলতে থাকেন টাইগার ক্রিকেটের এই দুই আস্থার প্রতীক। ইনিংসের শেষ দুই ওভারে টাইগারদের দরকার ছিল ৩০ রান। উনিশতম ওভার করেন আফগান বোলার করিম জানাত। তাকে টানা পাঁচটি চার হাঁকিয়ে মুশফিক ঐ ওভারে নেন ২১ রান।

শেষ ওভারে দলের দরকার নয় রান। বল হাতে নেন আসরের সেরা বোলার রশিদ খান। রশিদ খানের করা প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে ফিরে যান মুশফিক। সাতটি চারে ৩৭ বলে ৪৬ করে ফেরেন মুশফিক।

উইকেটে তখন আসেন আরিফুল হক। সাথে থাকেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। শেষ বলে টাইগারদের দরকার হয় চার রানের। স্ট্রাইকে তখন আরিফুল হক। চেষ্টা করেছেন তিনি।

বলও পাঠিয়েছেন বাউন্ডারির কাছাকাছি। তবে ফিল্ডারের দারুণ প্রচেষ্টায় শেষ বলে চার রান পায়নি বাংলাদেশ। এদিকে দুই রান নিয়ে তৃতীয় রানের সময় রানআউট হন তিনটি চার ও দুটি ছক্কায় ৪৫ রান (৩৮ বলে) করা মাহমুদুল্লাহ।

শেষপর্যন্ত ২০ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান করে বাংলাদেশ। এই হারে যেন নিদাহাস ট্রফির ফাইনালের কথাই মনে করিয়ে দিলো বাংলাদেশ।

এর আগে এই ম্যাচের শুরুতে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক আসগর স্ট্যানিকজাই। ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু এনে দেন দুই ওপেনার আহমেদ শাহজাদ ও উসমান গনি। এই দুজনে যোগ করেন ৫৫ রান।

তারপর ২৬ রান করা শাহজাদ টাইগার স্পিনার নাজমুল ইসলামের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে আউট হন। আরেক ওপেনার উসমান গনি ১৯ রান করে উইকেটের পেছনে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন পেসার আবু জায়েদের বলে।

এরপর এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন আফগান অধিনায়ক আসগর। তবে তাকে উইকেটে থিতু হতে দেননি আরিফুল হক। ব্যক্তিগত ২৭ রানে তিনি সাব্বির রহমানকে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।

আগের দুই ম্যাচেই শেষ দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন মোহাম্মদ নবী। এই ম্যাচে মাত্র তিনি ৩ রান করে মাহমুদুল্লাহকে ক্যাচ দিয়ে আবু জায়েদের দ্বিতীয় শিকার হয়েছেন।

শেষ দিকে রান তুলতে থাকা নাজিবুল্লাহ জাদরানকে ব্যক্তিগত ১৫ রানে লং অনে মাহমুদুল্লাহর ক্যাচ বানিয়ে আউট করেছেন সাকিব আল হাসান। ৪ রান করা শফিকউল্লাহকে আউট করেছেন নাজমুল ইসলাম। আর তাতেই ১৪৫ রানে থামে আফগানদের ইনিংস।

বাংলাদেশ একাদশঃ

তামিম ইকবাল, লিটন দাশ, মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), মাহমুদুল্লাহ, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, আরিফুল হক, মেহেদি হাসান, আবু হায়দার রনি, নাজমুল ইসলাম, আবু জায়েদ।

আফগানিস্তান একাদশঃ

মোহাম্মদ শাহজাদ (উইকেট রক্ষক), উসমান গনি, আসগর স্ট্যানিকজাই (অধিনায়ক), সামিউল্লাহ শেনওয়ারি, মোহাম্মদ নবী, শফিকুল্লাহ শফিক, নাজিবুল্লাহ জাদরান, করিম জানাত, রশিদ খান, মুজিব উর রহমান, আফতাব আলম