নিরীহ মেয়েটিকে, কীভাবে নির্যাতন করে খুন করলো (দেখুন ভিডিওতে)

নিরীহ মেয়েটিকে, কীভাবে নির্যাতন করে খুন করলো (দেখুন ভিডিওতে)













আরো পড়ুন…

পাট নয় এখন কলা গাছ থেকে তৈরি হচ্ছে উন্নত মানের সুতা!

আমরা স্বচরাচর গাছ থেকে ফল (কলাসহ ছড়ি) কেটে নেয়ার পর গাছটি পরিত্যাক্তবস্থায় পরে থাকতে দেখা যায়। তবে পাহাড়ি অঞ্চলে গাছের ওপরের বাকল ফেলে দিয়ে মাঝখানে অংশে থাকা নরম জাতিয় (বলী বা আইটি) কেউবা বলে আলিয়া সুস্বাধু তরকারি হিসেবে খাওয়া হয়ে থাকে।

মানব দেহের সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায়সহ পুষ্টি পুরনে ভাল ভুমিকা রাখে কলা। তাছাড়াও মাংসের তরকারীকে আরও সুস্বাদু করে তোলে, মাথার চুলকে করে তোলে আকর্ষনীয়, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে, দেহে প্রোবায়টিক এর যোগান দেয়, দুশ্চিন্তা দুর করে,ওজন কমাতে সাহায্য করে,শারিরিক পরিশ্রম ও ব্যায়ামে শক্তি যোগায়, পায়ের গোড়ালি পরিচর্যায় সহায়তা করে,ঘুমের জন্য সহায়ক এবং মাইগ্রেন দুর করতে দারুন ভুমিকা রাখে এই কলা।













পাহাড়ে নতুন সম্ভাবনা পরিত্যাক্ত কলার বাকল থেকেই উৎপাদিত হচ্ছে উন্নত মানের ফাইবার বা সুতা,টেকসই এসব ফাইবার বা সুতা হচ্ছে বহুমুখী ব্যবহার
এবার অব্যবহৃত পরিত্যাক্ত কলা গাছ ও কলার বাকল থেকে উন্নত মানে সুতা উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা হিসেবে দেখছে উদ্যোক্তারা। পাহাড়ি এলাকায় সারা বছরই কলা উৎপাদিত হয়। কলাগাছের বিকল্প ব্যবহার না থাকায় ফল দেওয়ার পর গাছটি কেটে ফেলা হয়। কিন্তু এবার পরিত্যাক্ত কলার বাকল থেকেই উৎপাদিত হচ্ছে উন্নত মানের ফাইবার বা সুতা।

উৎপাদিত সুতা চড়া দামে বিক্রিও হচ্ছে । খাগড়াছড়িতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এই প্রকল্প শুরু করে। এই প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রাম অফিসার আশুতোষ রায় জানান, আমাদের দেশে কলা গাছের বাকল কোন কাজে আসে না। কলা সংগ্রহের পর কৃষকরাগাছটি কেটে ফেলে। এটি পরিত্যাক্ত হিসেবে ধরা হত। কিন্তু পরিত্যাক্ত বাকল থেকে ফাইবার বা সুতা উৎপাদন করে সাফল্য পাওয়া গেছে। একটি কলা গাছের বাকল থেকে কমপক্ষে দুই’শ গ্রাম ফাইবার পাওয়া যায়।

তিনি জানান, প্রতিটি কলাগাছ ১৫ টাকা দরে কেনা হয়। তবে পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় দূর থেকে কলা গাছ কিনতে গেলে খরচও একটু বাড়ে। ৫টি গাছের বাকল থেকে অন্তত এক কেজি সুতা পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১৩০ টাকা। প্র

কল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, কলা গাছের বাকল থেকে ফাইবার বা সুতা উৎপাদন অন্ত্যন্ত লাভজনক। কলার বাকল থেকে ফাইবার অংশ সংরক্ষণের পর অবশিষ্ট অংশ বার্মি কমোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন করা যায়। কৃষক পর্যায়ে বার্মি কম্পোষ্টের চাহিদাও রয়েছে বেশ। প্রতিকেজি কম্পোস্ট সার বিক্রি হয়ে ২০ টাকায়।













খাগড়াছড়ি জেলা সদরের গঞ্জ পাড়ায় চলছে কলার বাকল থেকে সুতা উৎপাদন। জার্মান দাতা সংস্থা ওয়েলথ হাঙ্গার হিলফ এর অর্থায়নে আনন্দ বিল্ডিং কমিউনিটি এন্টারপ্রাইজ অফ স্মল হোল্ডারস ইন বাংলাদেশ প্রজেক্টের আওতায় কলা গাছের বাকল থেকে সুতার তৈরির প্রকল্প চলছে। ওয়েস্ট এগ্রো এর কারিগরি সহায়তা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে আনন্দ এই কার্যক্রমটি শুরু করে। প্রকল্পের শুরুতে বিদ্যুতের লো-ভল্টেজের কারণে বাকল থেকে সুতা উৎপাদনে ধীরগতি ছিল। কিন্তু বর্তমানে খাগড়াছড়িতে নতুন সাব স্টেশন চালু হওয়ায় বিদ্যুতের লো-ভল্টেজের সমস্যা কেটে গেছে। ফলে বর্তমানে উৎপাদনও বেড়েছে। তবে ধান কাটার মৌসুম হওয়ায় শ্রমিক সংকটের কারণে উৎপাদন একটু ব্যাহত হচ্ছে।