রাস্তায় প্রকাশ্যে কটূক্তির জবাব এভাবেই দিলেন তরুণী

পথচলতি যুবতীদের লক্ষ্য করে কটুক্তি। রুখে দাঁড়াননি কেউই। সাহস আরও বেড়ে গিয়েছিল অভিযুক্ত যুবকের। মঙ্গলবার সকালে মজাটা টের পেল সে। প্রকাশ্য রাস্তায় তাকে বেধকড় মারলেন এক যুবতী। ঘটনাটি জানার পর ওই যুবতীর পাশে দাঁড়ান স্থানীয় বাসিন্দা ও পখচলতি মানুষ।

গণধোলাই খেতে হল অভিযুক্তকে। শেষপর্যন্ত, হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে নেয় যুবক। তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থল জলপাইগুড়ি শহরের আনন্দ পাড়া এলাকা।
অভিযুক্তের নাম প্রদীপ মালাকার। জলপাইগুড়ি শহরের একটি মিষ্টির দোকানে কাজ করে সে। রিয়া দাস নামে এক যুবতীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাঘাটে তাঁকে নানাভাবে উত্যক্ত করছে প্রদীপ। এমনকী, পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ে প্রদীপ ওই যুবতীকে ছোঁয়ার চেষ্টা করেছে অভিযোগ। রিয়ার দাবি, শুধু তাঁকে লক্ষ্য করেই নয়, পথঘাটে ওই ব্যক্তির কটুক্তির শিকার হয়েছেন অনেক মহিলাই। কিন্তু কেউ কিছু বলেনি। মঙ্গলবার সকালে রিয়া যখন এসডিও অফিসে যাচ্ছিলেন, তখন জলপাইগুড়ি শহরে আনন্দপাড়ায় ফের তাঁর সঙ্গে প্রদীপ ফের অভব্য আচরণ করে বলে অভিযোগ। আর মেজাজ ঠিক রাখতে পারেননি ওই যুবতী। প্রকাশ্য রাস্তায়ই ওই যুবককে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করেন। এমন দৃশ্য দেখে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। রিয়া মুখ থেকেই আসল ঘটনাটি জানতে পারেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচলতি মানুষেরা। এরপরই প্রদীপ মালাকারকে মারধর করতে শুরু করেন তাঁরাও। তখন গণধোলাই চলছে, প্রাণ বাঁচাতে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে নেয় প্রদীপ মালাকার।

অভিযোগকারিনী রিয়া দাসের বাড়ি জলপাইগুড়ি শহরের গোমস্তাপাড়ায়। তিনি বিবাহিত। স্বামী কলকাতায় থাকেন। রিয়া দাস জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী ও মা প্রদীপ মালাকারকে কিছু বলতে বারণ করেছিলেন। তাই এতদিন মুখে বুঝে অসম্মানটা সহ্য করে গিয়েছেন। কিছু বলেননি।