ভালোবাসা দিবস পালন নিয়ে যা বললো ভারতীয় পত্রিকা

উপলক্ষ লাগে না ভালোবাসতে,
আমার কোনো বিশেষ দিবসের প্রয়োজন হয় না কারো প্রতি আমার যে ভালোবাসা রয়েছে সেটা দেখাতে। আমার কোনো দিবসের প্রয়োজন নেই ভালোবেসে কাউকে জড়িয়ে ধরতে, চুম্বন করতে অথবা ভালোবাসি কথাটি জানাতে। ইচ্ছা হলেই আমি এসব করতে পারি। বিশেষ দিনে এসব বলতে ভালো লাগে না। ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে চোখ খুলেই আমি আমার সঙ্গীকে চুম্বন করবো এটা তো ভাবতেই পারি না! কেন করতে হবে? কেউ আমাকে বলে দেবে আর তার কথামতো আমার সঙ্গীকে আদর করতে হবে! এগুলো একেবারেই বোকার মতো কথাবার্তা।

চাপ ছাড়া কিছুই নয়
একজনের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে আমার। সে এসব পছন্দ করে। তবে বছরের এই সময়ে আমি খুব চাপে থাকি। সে কারণে ওকে নিয়ে ঘোরা, উপহার দেওয়াটা আমার কাছে বাড়তি চাপের। সেটা ওকে বলতেও পারি না আবার চাপও নিতে ভালো লাগে না। আমার কাছে দিবস পালন মিথ্যা মনে হয়। কেবল চাপটাই অনুভব করি।

বিরক্তি লাগে ফেসবুকে ঢুকতে,
ত্রিশের কাছাকাছি আমার বয়স। এমনিতেই সবসময় আমার নিউজ ফিড বন্ধুদের আংটি বদল, বিয়ে বা বাচ্চা হওয়ার ছবিতে ভরপুর থাকে। এমনিতেই সেটা একটু বিরক্তিকর। আর এখনকার দিনে প্রায়ই দেখা যায়, কেউ না কেউ একটা পোস্ট দিয়েছেন ‘ফিলিং লাভড’। কারণ- তার সঙ্গী তাকে হয়তো একটা গোলাপ দিয়েছে। এটা আমাকে খুব বিরক্ত করে। সপ্তাহের দিনগুলো যেতে থাকে আমার তো মনে হয় যন্ত্রণাও তত বাড়তে থাকে।

ইমোশন বেশি তার,
এই সময়টাতে আমার ছেলে বন্ধু বেশি আবেগী হয়ে যায়। সে বিচিত্র রকমের ওয়াদা করে আর চায় যে আমিও যেনো সেসব করি। আমাকে হৃদয় আকৃতির চকলেট দেয়, ভালোবাসি, ভালোবাসি বলে। আমি ওর বিষয়টা বুঝি, সেটার প্রশংসাও করি, কিন্তু ও বুঝতে চায় না যে আমি অমন ‘লুতু-পুতু’ ধরনের প্রেমিকা নই। আর ওর এসব কাজের সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে পরে আমার নিজেকে খুব দোষী মনে হয়। সে কারণে দিবসটা আমার পছন্দের না।