মিলনের আকাঙ্ক্ষা শুধুই কি নেশা? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা চলুন দেখে নেওয়া যাক!!

মিলনের আকাঙ্ক্ষা শুধুই কি নেশা- অদম্য সেক্স করা আসলে কি?? বারবার যৌন মিলনে লিপ্ত হওয়াকে কি আদৌও নেশার বলা যায়?? নাকি সুতীব্র আসক্তির ফলে এটি একটি কল্পনাসূতই মাত্র!! আবার অনেকে এটিকে মানসিক অসুস্থতাও ধরছেন।

স্পষ্টভাবে ব্যখ্যা দিলে একজন সেক্স অ্যাডিক্টেডকে আপনি কি বলবেন?? নেশাখোর?? মানসিক রোগী নাকি কল্পনাপ্রবণ?? আপাতত এটা নিয়েই সমীক্ষা চালাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।













চিকিৎসকরা স্রেফ জানাচ্ছেন,এটি নেশা,তবে এতে বিশেষজ্ঞরা এতে দ্বিমত দিয়েছেন। কারণ ২০১৩ সালে মানসিক অসুস্থতা সংক্রান্ত একটি ডায়াগনস্টিক এবং স্ট্যাটিসটিক্যাল ম্যানুয়ালে অস্বাভাবিক যৌন আসক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা উঠেছিল।

কিন্তু প্রমাণ না পাওয়া এটি সেখানেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে “কমপালসিভ তথা অপ্রতিরোধ্য যৌন আচরণকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রোগের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানিয়েছে।

এর কারণ হিসাবে তারা ব্যখ্যা দিয়েছে যে, নীলছবি আসক্ত কোনো ব্যক্তির সামনে চালালে তার মাথায় যে পরিমাণ ক্রিয়া হয়, কোনো মাদক আসক্ত ব্যক্তির সামনে মদ রাখলেও তার মাথায় সমান প্রতিক্রিয়া চলে। সুতরাং যৌন মিলনের তারণা সম্পূর্ণভাবেই একটি অসুস্থতা।যেটি নিরাময় করতে প্রয়োজন চিকিৎসার।

কিন্তু এর ভিন্ন মতও ব্যখ্যা করা হয়েছে।নিকোটিন বা অ্যালকোহলের নেশা মানুষের শরীরের ক্ষতি করে।কিন্তু যৌন তারণার মনে শরীরে কোনোরকম ক্ষতিই লক্ষ হয়নি।













তবে কি এটিকে নেশার তালিকায় ফেলা যেতে পারে?‘মিথ অফ সেক্স অ্যাডিকশন’ বইয়ের লেখক ডেভিড লির দাবি, যৌন মিলনের অদম্য আকাঙ্ক্ষা কিংবা স্বমেহনের প্রবণতাকে অ্যালকোহল বা অন্য কোনও মাদকের সঙ্গে তুলনা করা নিতান্তই হাস্যকর। কারণ মাদকাসক্ত কোনো ব্যক্তি যদি মদ ছেড়েও দেয় তাহলেও তার শরীরের পরবর্তী প্রকিয়াতে মৃত্যু ঘটতে পারে।

তিনি বলেছেন সুস্থ,স্বাভাবিক যৌন মিলন বলতে মানুষ কি বোঝে,তার উপরই নির্ভর করছে যৌন আসক্তি নেশা কিনা!! এখনও পর্যন্ত এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি তার যৌন তারণাকে অসুস্থতার নাম দিয়ে কোনো চিকিৎসকের প্রয়োজন পড়েছে।







তবে বিটেনে একটি গবেষণায় মিলেছে, সেখানকার মাত্র ১০ শতাংশ পুরুষই তারা “সেক্স অ্যাডিক্টেড” কিনা তা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছেন।