শারীরিক সম্পর্কের পর অবশ্যই প্রস্রাব করবেন! না হলে কিন্তু…

বিষয়টি স্পর্শকারত। কিন্তু এই বিষয়ের উপর যদি এখনই আলোকপাত করা না হয়, তাহলে আগামী দিনে যে বিপদ আরও বাড়বে, সে সম্পর্কে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সুন্দর সম্পর্কে গড়ে ওঠে ব্যক্তিগত সময়ের শক্ত ভিতের উপর দাড়িঁয়েই। তাই তো এই বিষয় সম্পর্কিত নানা দিক সম্পর্কে জেনে রাখাটা একান্ত প্রয়োজন।







প্রসঙ্গত, একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে যেসব স্বামী-স্ত্রীরা প্রায়দিনই শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন, তাদের সম্পর্কের সৌন্দর্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। কিন্তু কীভাবে শারীরিক মিলন করতে হবে বা তার আগে ও পরে কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে, সে সম্পর্কে অনেকেই ঠিক মতো জানেন না।







ফলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক মধুর হয়ে উঠলেও সেই সঙ্গে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। যেমন ধরুন, প্রতিবার শারীরিক মিলনের পর প্রস্রাব করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু কেন এমন উপদেশ দেওয়া হয় জানা আছে? বেশিরভাগেরই উত্তর যে “না” হবে সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। তাই তো এই প্রবন্ধে এইসব আপাত সামান্য, তবু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির উপর আলোকপাত করার চেষ্টা করা হল।







সংক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়:

স্বামী বা স্ত্রীর গোপন অঙ্গে বাসা বেঁধে থাকা জীবাণু একজনের শরীর থেকে আরেক জনের শরীরে পর্বেশ করে মারাত্মক সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। সেই কারণেই তো শারীরিক মিলনের আগে উভয়েরই গোপন অঙ্গ পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত। এমনটা করলে জীবাণুর আক্রমণ থেকে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।







ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশনের প্রকোপ কমে:

মহিলাদের এমন ধরনের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার পিছনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দায়ি থাকে শারীরিক মিলন। কারণ স্পার্ম যে রাস্তা দিয়ে শরীরের বাইরে বেরিয়ে আসে, সেই একই রাস্তা নেয় প্রস্রাবও। তাই তো স্পার্মের সঙ্গে মিশে নানা জীবাণু স্ত্রীর শরীরে প্রবেশ করে। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, একবার স্ত্রী যদি এমন সংক্রমণে আক্রান্ত হন, তাহলে ওই জীবানু কোনও না কোনও সময়ে পুরুষ সঙ্গীর দেহেও প্রবেশ করে।







ফলে উভয়ই একটা সময়ে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পরেন। তাই তো শারীরিক মিলনের আগে এবং পরে ভ্যাজাইনা এবং পেনিস ভাল করে পরিষ্কার করে নেওয়াটা জরুরি।

শারীরিক মিলনের পর প্রস্রাব করা মাস্ট!

পুরুষদের ক্ষেত্রে না হলেও মহিলাদের অবশ্যই শারীরিক সম্পর্কের পর প্রস্রাব করে নিতে হবে। কারণ এমনটা করলে স্বামীর শরীর থেকে স্ত্রীর গোপন অঙ্গে প্রবেশ করা একাধিক ক্ষতিকর জীবানু, কোনও ক্ষতি করার আগেই প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে য়ায়। ফলে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা কমে।