মহিলা পুলিশ কর্মকর্তাকে ইভটিজিং করে ফেঁসে গেলেন আওয়ামী লীগ নেতা

মহিলা পুলিশ কর্মকর্তাকে ইভটিজিং করার দায়ে নাজিরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদলত এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন













পুলিশ জানিয়েছে, পিরোজপুর আদালতে কর্মরত এক মহিলা পুলিশের এএসআইকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে উপজেলার কলারদোয়ানিয়া গ্রামের মৃত হাবিবুল্লাহ মৃধার ছেলে হাসানাত উল্লাহ ডলারকে (৫০) আটক করা হয়। দীর্ঘ দিন ধরে অভিযুক্ত হাসানাত উল্লাহ ডলার ওই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আদালতে কর্মরত আরো চার মহিলা পুলিশ সদস্য ও নাজিরপুর থানায় কর্মরত আরো এক মহিলা পুলিশ সদস্যকে মোবাইলে ফোন ও এসএমএস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সোমবার দুপুরে আদালতের অফিস কক্ষে গিয়ে মহিলা পুলিশের এএসআইকে উত্ত্যক্ত করলে অন্য পুলিশের সহায়তায় তাকে আটক করে নাজিরপুর থানায় পাঠানো হয়।













দণ্ডপ্রাপ্ত হাসানাত উল্লাহ ডলার ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শিমুল বাহাদুর এ প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করেছেন।













এ ব্যাপারে নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, অভিযুক্তকে পিরোজপুর থেকে আটক করে নাজিরপুর থানায় পাঠানো হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝুমুর বালার ভ্রাম্যমাণ আদালত এ রায় প্রদান করেন।ঈশ্বরগঞ্জে চালককে হত্যা করে ইজিবাইক ছিনতাই
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা













ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক ইজিবাইক চালককে হত্যা করে গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই হত্যাকাণ্ড ও ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। এ বিষয়ে বুধবার সকালে থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।













জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর একটি ব্রিজের কাছে ধানক্ষেতে রক্তাক্ত অবস্থায় একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। সকাল ৮টায় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহত ফারুক মিয়া (৩৫) উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের বিচড়াকোনা গ্রামের আবদুল জব্বারের ছেলে। তিনি ইজিবাইকচালক ছিলেন। তার তিনটি শিশুসন্তান রয়েছে।













ফারুকের স্ত্রী সালমা আক্তার জানান, প্রতিদিনের মতো বৃস্পতিবার সকালে ইজিবাইক নিয়ে বেরিয়ে যান ফারুক। পরে ওই দিন রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। রাতভর অপেক্ষার পর সকালে তিনি স্বামীকে খুঁজতে থাকেন। ওই সময় এলাকাবাসী তাকে খবর দেয় যে ফারুককে বড়হিত ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর ব্রিজের কাছে একটি ধানক্ষেতে কারা যেন হত্যা করে ফেলে রেখেছে। গাড়িটিও খুঁজে পাওয়া যায়নি।













ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি বদরুল আলম খান জানান, নিহত ফারুকের মাথায় ইটের আঘাত ও গলায় নখের আঁচড়ের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে কেউ পরিকল্পনা করে হত্যা করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী সামলা আক্তার বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা করেছেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও তার ছিনতাইকৃত গাড়িটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন