ভোটে আলোচিত খুলনার লবণচরা থানার ওসি প্রত্যাহার

খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে জাল ভোট ও ব্যালট পেপারে সিল দেওয়ার ঘটনার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করেছে মহানগর পুলিশ (কেএমপি)।







কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে আজ বুধবার সন্ধ্যায় শফিকুলকে প্রত্যাহার করা হয় বলে জানিয়েছেন কেএমপির মুখপাত্র এডিসি সোনালী সেন। গতকাল খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে জাল ভোটের কারণে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়।







বিএনপিদলীয় মেয়র পদপ্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু এই ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্রে সাংবাদিকদের নিয়ে একটি প্রতীকে সিল মারা ব্যালট পেপার দেখান যা গতকাল বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুরুত্ব সহকারে প্রচারিত হয়।

এই ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল প্রার্থী হয়েছিলেন। জাল ভোট দেওয়ার ঘটনার পরও এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফ হোসেন মিঠু তিন হাজার ৮০৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। আর দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল। তিনি পেয়েছেন দুই হাজার ৬২৮ ভোট। ছাত্রলীগ নেতা আসাদুজ্জামান রাসেল দুই হাজার ৪০৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। দুটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত থাকায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।







ফেনীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মুসা আলম মাসুদ নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার খুশিপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মুসার বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতিসহ ছয়টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।







দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, খুশিপুর এলাকার মুসা আলম মাসুদকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাঁর দেওয়া তথ্য অনুসারে তাঁকে নিয়ে রাত আড়াইটার দিকে সহযোগী ছুট্টুকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। দাগনভূঞার খুশিপুর ব্রিজের কাছে পৌঁছালে মাসুদের সহযোগীরা তাঁকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বন্দুকযুদ্ধে মাসুদ নিহত হয়। ওসি আরো জানান, নিহত মাসুদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য দুপুরে ফেনী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো