কেমন কাটছে একসাথে ১৮ কেজি মাংস ও ১০০ ডিম খাওয়া রাজশাহীর খাদক বাবুলের দিনকাল ??

নাম বাবুল আক্তার তবে সবাই চিনে খাদক বাবুল বা ভোজন বাবুল নামে। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার গঙ্গারামপুর গ্রামের মৃত খেলাফত উল্লাহ সরকারের ছেলে।এখন বয়স হয়েছে তাই ডাক্তারের পরামর্শ মত চলতে হচ্ছে তাকে। তবে তার স্বাভাবিক খাদ্য তালিকার সকালের নাস্তায় ছিল ৫কেজি গরুর মাংস অথবা ২৫-৩০টি ডিম।







তিনি জানান, এখনও মনে করলে ১০ থেকে ১৫ কেজি ওজনের একটি খাসির মাংস অনায়াসেই খেয়ে ফেলতে পারবেন।বাবুল এসময় বলেন, আমি ছোট থেকেই অনেক বেশি খেতে পারতাম। আমার মা বলতেন, আমি ১৯৭৩ সালে জন্মের পরপরই নাকি পৌনে এক কেজি করে গরুর দুধ পান করতাম। তারপর বেড়ে ওঠার পাশাপাশি আরও বেশি খাবার লাগত।







কেউ যদি তার সাথে বাজি ধরে তবে তো কথায় নেই। ১০-১৫কেজি মাংস ৫০-১০০ ডিম কোন বেপার ই ছিল না তার জন্য।বাবুল জানান, তিনি ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম তার বন্ধুদের সঙ্গে রাজধানী ঢাকায় গিয়েছিলেন। ওই দিন রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় ‘ভূত রেস্তোরাঁ’ নামে একটি হোটেলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।







বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ধরে ‘ভূত রেস্তোরাঁয়’ শতাধিক লোকের সামনে এক টেবিলে বসে ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিটে ১৮ কেজি খাসির মাংস ও ১০০টি ডিম খেয়েছিলেন।

এমন অবাক করা খাওয়া দেখে মিডিয়ার নজরে পড়ে যান তিনি। সে সময় অদ্ভুত এই খাওয়ার কাহিনী তুলে ধরে ‘খাদক’ ‘ভোজন রসিক’সহ নানা নামে তাকে প্রচার করা হয়েছিল বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।এ ভোজন রসিক বর্তমানে বয়স বাড়ার কারনে আগের মত খেতে পারেন না। কারন ডাক্তারের পরামর্শে তাকে চলতে হয়।