Thursday , September 19 2019

বিয়েবাড়িতে হাতধোয়ার বকশিশ নিয়ে মারামারি, হাসপাতালে বর

লক্ষ্মীপুরে বিয়ে বাড়িতে স্টেজে বরের হাত ধোয়ার বকশিশ নিয়ে মা’রামা’রির ঘটনা ঘটেছে। এতে বরসহ অন্তত ১২ জন আ’হত হয়েছেন। তারা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

শুক্রবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাহাপুর এলাকায় কনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে এ ঘটনায় আ’হত বর নিজেই লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থা*নায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অ’জ্ঞাত আরও ১০-১২ জনের নামে লিখিত অ’ভিযোগ করেছেন। বিকেলে বরকে ছেঁড়া পাঞ্জাবি গায়ে, পরনে লুঙ্গি এবং হাতে পায়জামা নিয়ে থা*নার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

আ’হত বরের নাম মো. মোরশেদুল আলম মু’সা। তিনি পৌর শহরের বাঞ্চানগর এলাকার আবদুল মুনাফের ছেলে।

আ’হত অন্যরা হলেন- বরের ভাই মো. ফারুক, বোন আমেনা আক্তার, ফেরদৌসী, ভগ্নিপতি মো. হাছান, বরযাত্রী রুবি আক্তার, মহিউদ্দিন ও মাইক্রোবাস চালক সুমনসহ ১২ জন।

বরের স্বজন ও অ’ভিযোগে জানা গেছে, তিন মাস আগে পারিবারিকভাবেই মোরশেদুল আলমের সঙ্গে সাহাপুর এলাকার আবু তাহেরের মেয়ে তানিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। শুক্রবার এ বিয়ের আনুষ্ঠানিক আয়োজন করা হয়। দুপুরে কনের বাবার বাড়িতে স্টেজে বরকে মেয়েরা হাত ধুইয়ে বকশিশ দাবি করে। তাদেরকে পাঁচশত টাকা বকশিশ দেয়া হয়। চাহিদা মতো বকশিশ না পাওয়ায় উত্তেজিত হয়ে পড়ে কনেপক্ষের লোকজন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কা’টাকাটি হয়। একপর্যায়ে কনের মামা তোফায়েলসহ কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে বর ও তার সঙ্গীদের ওপর হা’মলা চালায়। এ সময় বরের পাঞ্জাবি ও পায়জামা ছিঁড়ে ফেলার পাশাপাশি সাজ-গহনা তছনছ করা হয়। বাধা দিতে এলে বরের সঙ্গীদেরকে মা’রধর করা হয়। পরে তাদের উ’দ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। মা’রামা’রির সময় বরপক্ষের দুটি স্মা’র্ট ফোন, ১২ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে বলে অ’ভিযোগ উঠেছে।

বরের বড় ভাই আ’হত ফারুক বলেন, কনেপক্ষের লোকজন বকশিশ দাবি করে। তাদের চাহিদা অনুযায়ী তা না দেয়ায় পরিক’ল্পিতভাবে আমাদের ওপর হা’মলা করেছে।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থা*না পু’লিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) একেএম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, বিয়েবাড়িতে মা’রামা’রির ঘটনায় থা*নায় একটি অ’ভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ত’দন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।