Thursday , September 19 2019

দাফনের আগে উঠে বসলো মৃ’ত মানুষ, দেখে ই’মামের মৃ’ত্যু

দাফনের আগে উঠে – দাফনের আগে মৃ’ত ব্যক্তির বেঁচে ওঠার ঘটনা বিভিন্ন জায়গায় ঘটেছে। তবে সৌদি আরবের এই ঘটনা সবাইকে চ’মকে দেবে। জানাযা করার সময়ে মৃ’তদেহ নড়েচড়ে উটে বসেন। তা দেখে মৃ’তব্যক্তিকে দাফনের জন্য আসা ই’মামের মৃ’ত্যু হয়েছে।​

সৌদি আরবের ‘লাইফ ইন’ নামে একটি ওয়েবসাইটে তথ্য সূত্রে জানা গেছে, হাসাপাতালে চিকিৎসার সময়ে মৃ’ত বলে ঘোষণা করা হয়েছে একজনকে। তবে সেই সময়ে তার মৃ’ত্যু হয়নি। তার শ্বা’স প্রশ্বা’সে ধীর গতিতে হচ্ছিল। এতটাই ধীর গতিতে শ্বা’স নিচ্ছিলেন যে চিকিৎসকের মৃ’ত বলেই শুধু ঘোষণা করেননি, ডেথ সার্টিফিকেটও দিয়েছেন।

এরপর ওই মৃ’ত ব্যক্তিকে দাফনের আয়োজন করা হয়। ই’মাম এসে জানাযা করার সময়ে মৃ’তদেহ নড়েচড়ে উটে বসেন। এই দৃশ্য দেখা হৃদরোগে আক্রান্ত হন ওই ই’মাম। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃ’ত্যু।

ফার্নিচার ব্যবসা ছেড়ে এমবিবিএস ডাক্তার

১৯৮৯ সালে এইচএসসি পাস করেছিলেন তিনি। কিন্তু ১২ বছর ধরে নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয় দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।

মোস্তাক আহমেদ ওরফে এমএ করিম বশির (৪৩) নামের এই ভু’য়া ব্যক্তি এমবিবিএস ডাক্তার সেজে স্থানীয় কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন। ফি নেন ২০০ টাকা।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিম’রাইল মোড়ের হক সুপার মা’র্কে’টের তিনতলায় নিউ মুক্তি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বসে রোগী দেখার সময় সোমবার রাত ৯টার দিকে মোস্তাক আহমেদ করিমকে গ্রে’ফতার করেন র‌্যা’ব-১১-এর সদস্যরা।

এ সময় তার চেম্বারে পাঁচ রোগী উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে দুজন ছিলেন পুরনো রোগী। ডাক্তারের দেয়া এক্স-রে ও র’ক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট দেখাতে এসেছেন এসব রোগী।

অ’ভিযানের সময় তার চেম্বার থেকে ডা. মো. মোস্তাক আহমেদ (করিম) এমবিবিএস (ডি-অর্থো), পিজিটি (ডি-অর্থো), পিজিটি (ইমনটি ও হৃদরোগ) চিফ মেডিকেল অফিসার, সিকদার গ্রুপ, হাড়জোড়া, বাত ব্যথা, মেরুদ’ণ্ড বিশেষজ্ঞ (ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) এমন অনেক ভিজিটিং কার্ড, প্রেসক্রিপশন এবং প্যাড উ’দ্ধার করা হয়।

পরে তাকে গ্রে’ফতার করে র‌্যা’ব। গ্রে’ফতার মোস্তাক আহমেদ কুষ্টিয়ার কুমা’রখালী থানার সালেহাকান্দি এলাকার মৃ’ত রহিম মণ্ডলের ছেলে। ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় থাকেন তিনি।

র‌্যা’ব জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জের হীরাঝিলের হাজি রজ্জব আলী সুপার মা’র্কে’টে একটি ভু’য়া কারখানা গড়ে তুলে পানি ব্যবসা করতেন মোস্তাক। নলকূপের পানি বোতলে ভরে মিনারেল বলে বিক্রি করতেন তিনি। এর আগে ফার্নিচারের ব্যবসা করতেন। নামের সঙ্গে মিল থাকা সরকারি নিবন্ধনকৃত (২৬৬৩৩ নং) ডা. মো. মোস্তাক আহমেদের কোড ব্যবহার করে নিজেকে এমবিবিএস (ডি-অর্থো), পিজিটি (ডি-অর্থো), পিজিটি (হৃদরোগ), চিফ মেডিকেল অফিসার, হাড়জোড়া, বাত ব্যথা ও মেরুদ’ণ্ড বিশেষজ্ঞ বলে পরিচয় দেন তিনি।

একই সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নামে প্যাড ছাপিয়ে রোগীদের প্রেসক্রিপশন দিয়ে ১২ বছর ধরে ডাক্তার সেজে রোগী দেখে আসছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে র‌্যা’ব-১১ এর অ’তিরিক্ত পু’লিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী বলেন, গো’পন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যা’বের গোয়েন্দা নজরদারিতে নিশ্চিত হয়ে নিউ মুক্তি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ’ভিযান চালানো হয়। পরে এইচএসসি পাস ভু’য়া এমবিবিএস ডা. মোস্তাক আহমেদ করিমকে রোগী দেখার সময় হাতেনাতে গ্রে’ফতার করা হয়।

পু’লিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী আরও বলেন, বিএমঅ্যান্ডডিসি কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেখতে চাইলে নিজের নামের সঙ্গে মিল থাকায় ডা. মো. মোস্তাক আহমেদের রেজিস্ট্রেশন দেখান করিম। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন নিবন্ধনকৃত ডা. মোস্তাক আহমেদ আর করিম এক ব্যক্তি নয়। নামের সঙ্গে মিল থাকায় ১২ বছর ধরে ভু’য়া ডাক্তার সেজে বিভিন্ন হাসপাতালে রোগী দেখে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে আসছেন করিম।

পাঠকের মতামত: