Wednesday , September 18 2019

মেয়েকে দেখতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত নারী, আটক ৩

সাভারের হেমায়েতপুরে ছেলেধ’রা গুজবে গণপি’টুনিতে সালমা বেগম (৪০) নামে এক নারী নি’হত হওয়ার ঘটনায় এক নারীসহ ৩ জনকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। গ্রে’ফতাররা হলেন- মোছা. কাজল বেগম (৩০), শুকুর সরদার (৩০), সজিব হাওলাদার (২৫)।

এর আগে, এ ঘটনায় অ’জ্ঞাতনামা প্রায় ৪০০ জনকে আ’সামি করে থা*নায় একটি হ’ত্যা মা’মলা করা হয়েছিল। দুই আ’সামিকে মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দুপুরে আ’দালতে পাঠানো হলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দেয়।

জানা গেছে, শুকুর সরদার (৩০) খুলনা জে’লার তেরগাদা থা*নার আকুলিয়া গ্রামের আবদুল হাফিজ সরদারের ছেলে। সজিব হাওলাদার (২৫) শরীয়তপুরের জাজিরা থা*নার বায়েরটাকি গ্রামের খোরশেদ হাওলাদারের ছেলে। তারা দু’জনেই তেতুলঝোড়া এলাকায় থাকতেন।

সাভার মডেল থা*নার পরিদর্শক ও ট্যানারি পু’লিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. এমা’রৎ হোসেন জানান, ছেলেধ’রা গুজবে ওই নারীকে পি’টিয়ে হ’ত্যার ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের গ্রে’ফতার করা হয়েছে। কাজল নামে নারী বেশি মা’রধর করে, যা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এ ঘটনায় জ’ড়িত অন্যান্যদের গ্রে’ফতার করতে অ’ভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান পু’লিশের এ কর্মক’র্তা।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে হেমায়েতপুরের তেঁতুলঝোড়া এলাকায় একটি শি’শুকে বিস্কুট খাওয়ানোর চেষ্টা করছিলেন এক নারী। এ সময় এলাকাবাসী ছেলেধ’রা গুজবে তাকে গণপি’টুনি দেয়। গুরুতর আ’হত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ’ত ঘোষণা করেন।

নি’হত সালমা বেগম মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজে’লার মু’সলিমাবাদ গ্রামের বিল্লাল বেপারীর মেয়ে। মূলত, তিনি নিজের মেয়েকে দেখতে ওই এলাকায় গিয়েছিলেন। ১০-১২ বছর আগে স্বামী মিজানুর রহমান তাকে ডি*ভোর্স দিয়ে ফের বিয়ে করে। সালমা ও মিজানুরের ঘরে তিন মেয়ে আছে।

দ্বিতীয় বিয়ের পর তিন মেয়ে মিতা, মনিকা ও মিসকাতকে নিজের কাছেই রেখে দেয় মিজানুর। ডি*ভোর্সের পর থেকে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজে’লার মু’সলিমাবাদ গ্রামে বাবার বাসায় থাকতো সালমা।