Thursday , September 19 2019

অস্ট্রেলিয়ায় ‘জুম্বা’ নাচ শিখছেন শাবনূর

সোশ্যাল মিডিয়ায় সুযোগ পেলেই ইদানীং লোকজন গুজব ছড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে মৃত্যুর মতো বিষয় নিয়ে গুজব ছড়ানো অনেকেই হতবাক। আর যদি হয় মাইলফলক স্পর্শকারী নায়িকা তাহলে তো কথাই নয়। এমনটাই ঘটেছে গত সন্ধ্যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় থেকে সিনেমাপাড়ায় ছড়িয়ে পড়ে শাবনূরের মৃত্যুর গুজব।

বিষয়টি এমন অবস্থায় দাঁড়ায় মানুষকে সত্য তথ্য জানিয়েও আর কাজ হচ্ছিল না। আর এ ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষিপ্ত হয় শাবনূরের পরিবার। এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন শাবনূরের ছোট বোন ঝুমুর।

হতবাক কণ্ঠে ঝুমুর বলেন, কয়েকদিন পর পর বিভিন্ন শিল্পীদের মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হয়। কে বা কারা কোন উদ্দেশ্য নিয়ে এটা করে আমার জানা নেই। শাবনূর আপার কিছুই হয়নি। তিনি ভালো আছেন, সুস্থ আছেন, বেঁচে আছেন। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতেই আছেন তিনি। শিগগিরই বাংলাদেশে ফিরবেন। কেউ দুশ্চিন্তা করবেন না।

তবে একদিন বাদেই শাবনূর গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেন। জানালেন ছেলে আইজানকে স্কুলে আনা-নেওয়া করতে একটা বড় সময় কেটে যায়। সাথে দিলেন একদম নতুন খবর। শাবনূর নিজেই বলেন, “একটা নতুন খবর আছে। আর তা হচ্ছে-নাচের ক্লাসে ভর্তি হয়েছি আমি। আমার বোন ঝুমুরের সঙ্গে সেই ক্লাসে যাই। আমি এখানে ‘জুম্বা’ ক্লাস করছি। ‘জুম্বা’ এক ধরনের বিশেষ নাচ। এসব করেই দিন কেটে যাচ্ছে।”

শাবনূর বলেন, ‘সিডনিতে আমি ভালো আছি। ঢাকাতে তো এখন ডেঙ্গু আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই মুহূর্তে ছেলেকে নিয়ে যেতে চাই না। ডিসেম্বরে অর্থাৎ শীতের সময় ঢাকায় যাওয়ার ইচ্ছে আছে আমার।’

শাবনূর ১৯৭৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার নাভারণে জন্মগ্রহণ করেন। শাবনূরের পর্দার পেছনের নাম নুপুর। প্রথম চলচ্চিত্র কিংবদন্তি পরিচালক এহতেশামের ‘চাঁদনী রাতে’। ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর ‘চাঁদনী রাতে’ মুক্তি পায়। সাব্বিরের বিপরীতে অভিনীত চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়।

তবে শাবনূরের মুগ্ধতার ইতিহাস শুরু হয় ১৯৯৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জহিরুল হক পরিচালিত ‘তুমি আমার’ ছবিটি দিয়ে। সালমান শাহের সঙ্গে জুটি বেঁধে এই নায়িকা ১৪টি ছবি করেন। তার সবগুলোই রেকর্ড সংখ্যকভাবে ব্যবসায়িক সাফল্য পায়। এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সফল জুটিগুলোর অন্যতম।

২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদের সঙ্গে শাবনূরের আংটি বদল হয় এবং ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর তাকে বিয়ে করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস শুরু করেন ও নাগরিকত্ব লাভ করেন। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তিনি ছেলে সন্তানের মা হন। তার ছেলের নাম আইজান